ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (উওট) এবং ইনোভিশন কনসাল্টিং প্রাইভেট লিমিটেড যৌথভাবে গবেষণা, উদ্ভাবন, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং জ্ঞান বিনিময়ের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (গড়ট) স্বাক্ষর করছে। সোমবার ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিল্প ও একাডেমিয়ার মধ্যে টেকসই সহযোগিতার একটি নতুন অধ্যায় সূচিত হয়।
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথ গবেষণা কার্যক্রম, নীতি-ভিত্তিক স্টাডি, সক্ষমতা উন্নয়নমূলক প্রকল্প, সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজন, এবং শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ও বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণের সুযোগ সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ করছে। এই অংশীদারিত্ব উওট–এর একাডেমিক ও গবেষণাগত দক্ষতা এবং ইনোভিশনের বাস্তবভিত্তিক শিল্প অভিজ্ঞতাকে একীভূত করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রভাব সৃষ্টি করছে।
অনুষ্ঠানে ইনোভিশন কনসাল্টিং প্রাইভেট লিমিটেড–এর পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব মো. রুবাইয়াত সারওয়ার এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পক্ষে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. আর. কবির।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইনোভিশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. রুবাইয়াত সারওয়ার বলেন, বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন, নীতি বিশ্লেষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একাডেমিক অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে এই সহযোগিতা বাস্তবভিত্তিক গবেষণা ও টেকসই সমাধান তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. এম. আর. কবির বলেন, শিল্প–একাডেমিয়া সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করাই আমাদের লক্ষ্য। এই গড়ট উওট- এর গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে আরও আন্তর্জাতিক ও প্রাসঙ্গিক করে তুলছে।
এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে এমন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে, যা শিক্ষার্থী, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং শিল্পখাতের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টি করছে। উওট ও ইনোভিশনের এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশে জ্ঞানভিত্তিক উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।