ড. ইউনুসের স্বজনপ্রীতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ স্বাস্থ্য উপদেষ্টা : চাঁদপুরে হাসনাত আব্দুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ড. ইউনুসের স্বজনপ্রীতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। উনি ড. মো. ইউনুছের ভাই-ব্রাদার কোটায় আসছেন। এই স্বাস্থ্য উপদেষ্টা কাজের না, উনি যেই বেতনটা নেয় এটা হারাম হবে, উনি যে গাড়িতে চড়ে সরকারের টাকায় এটা হচ্ছে জনগণের সাথে বেঈমানী। উনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বুঝে না, চিকিৎসা বুঝে না। ওনার একমাত্র যোগ্যতা উনি গ্রামীণ ব্যাংকে ছিল এবং ড. মো. ইউনুছের উনি হচ্ছে খুব কাছের মানুষ। দুঃখজনক বিষয় উনি নিজের চিকিৎসা করাইতে সিঙ্গাপুর যায়। বেতন-ভাতা ফেরত দিয়ে স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে।

তিনি বলেন, দল-মত নির্বিশেষে আমাদের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে চেয়েছিলাম।কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আগের মতো, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাও আগের মতো। এই সরকারের কাছে অনেক প্রত্যাশা ছিল।

তিনি আজ বুধবার দুপুরে চাঁদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় “দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা” কর্মসূচির এক পথসভায় এসব কথা বলেন। সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীর উদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক সার্জিম আলম, যুগ্ম সদস্য সচিব মিরাজ মিয়া ও ইশরাত জাহান বিন্দু, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মো. মাহবুবুর রহমান, শামান্তা শারমিন, জাতীয় যুব শক্তির সংগঠক মেহেদী হাসান তানিম প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনসিপির চাঁদপুর জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মো. মাহবুব আলম।

এর আগে সকালে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।চাঁদপুরের পথসভার পর পদযাত্রাটি কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওয়ানা রয়েছে। পথে হাজীগঞ্জে শহীদ আজাদ চত্বরের উদ্বোধন ও শাহরাস্তির দোয়াভাঙ্গায় পথসভা করেন তারা।

সারজিস আলম তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের অনেক মত থাকতে পারে, ফ্যাসিস্ট বিরোধী যারা লড়াই করেছি, মতপার্থক্য থাকতে পারে কিন্তু সেই সুযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগ এবং তাদের দোসর আমাদের মধ্যে ঢুকে অজারকতা তৈরী করবে সেই সুযোগ আমরা এই বাংলাদেশে আর দিব না। ঢাকার বিমান দুর্ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।

নাসীর উদ্দীন পাটওয়ারী তার বক্তব্যে বলেন, আমরা চাঁদপুরের মধ্যে কোনো দলাদলি-বিভেদ করতে চাই না। কিন্তু চাঁদপুরের মধ্যে কোনো চাঁদাবাজদেরকেও আমরা প্রশ্রয় দেব না। চাঁদপুরের মধ্যে আমরা কোনো সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দেব না। চাঁদপুরের মধ্যে আমরা কোনো বালু দখলদারিত্বদেরকে প্রশ্রয় দেব না।

শামান্তা শারমিন তার বক্তব্যে বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকার এখন নির্বাচনী সরকারে পরিণত হয়েছে। এটা আমরা চাইনি।

শেয়ার করুন