নিজস্ব প্রতিবেদক
”আমার বসতবাড়টিও মসজিদের মার্কেট নির্মাণ করতে গিয়ে বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকে বন্ধক (মর্টগেজ) রাখা হয়েছে।” সম্প্রতি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা নানা বিতর্ক ও অনুমানের জবাবে স্পষ্টীকরণ দিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ আহমদ আলী পাটওয়ারী ওয়াকফ এস্টেটের সাবেক মোতোয়াল্লি মো. আলমগীর কবির পাটওয়ারী।
এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি দাবি করেন, অনুমান আর বাস্তবতার মধ্যে রয়েছে বিস্তর ফারাক। দীর্ঘ সময় ধরে দুটি বড় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি কলেজে ৩২ বছর এবং মসজিদে ৩৮ বছর- সাধারণভাবে বললে প্রায় ৭০ বছর প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি।
নিজের সহায়-সম্পত্তির হিসাব প্রকাশ করে সাবেক এই মোতোয়াল্লি বলেন, আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি এবং হাজীগঞ্জের জায়গা ব্যতীত ঢাকাস্থ ডুমনী ইউনিয়নে ৩ কাঠা জমির ওপর ১৪ শত বর্গফুটের দোতলা একটি বাড়ি রয়েছে। এছাড়া হাজীগঞ্জ মডেল কলেজের চৌরাস্তায় ১২ শতাংশ জমির মধ্যে ৩.৫ শতাংশের ওপর বসতবাড়ি রয়েছে। এ দুটি ব্যাতীত দেশে কিংবা বিদেশে আমার আর ১ শতাংশও সম্পদ বা সম্পত্তি নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি একাধিক সাজানো মামলা, অন-এয়ারে নির্যাতন এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মতো নানা চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য সততার সঙ্গে পরিচালিত কর্মসংস্থানমুখী ও সেবামূলক কাজের গতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা।
এ ধরনের ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা পেতে তিনি প্রার্থনা ব্যক্ত করেন।