করোনার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ চাঁদপুর : জনসমাগম নিষিদ্ধ : রাত ৮টার পর দোকানপাট বন্ধ

গণপরিবহণ ও হোটেল-রেস্তোঁরায় অর্ধেক যাত্রী পরিবহন : সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
করোনা সংক্রমণের উচ্চ ঝঁকিপূর্ণ বিবেচনায় পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত চাঁদপুর জেলায় সকল ধরনের জনসমাগম (সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা অন্যান্য) নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অঞ্জনা খান মজলিশ। বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) জারিকৃত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানান তিনি। একই সাথে সারা জেলায় রাত ৮টার মধ্যে সকল দোকানপাট, মার্কেট ও শপিংমল বন্ধের নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ফের কঠোর অবস্থানে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন। দেশের উচ্চ সংক্রমণের জেলার মধ্যে চাঁদপুরের অবস্থান ১২তম বলে স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। সরকারি ১৮ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। তার’ই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অঞ্জনা খান মজলিশ স্বাক্ষরিত একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‌’চাঁদপুর জেলা করোনা সংক্রমনের উচ্চ ঝঁকিপূর্ণ বিবেচনায় পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে সকল ধরনের জনসমাগম (সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা অন্যান্য) নিষিদ্ধ করা হল। এ জেলার সকল পর্যটন, বিনোদন কেন্দ্র, সিনেমা হল, থিয়েটার হলে জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হলো। গণপরিবহণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং ধারণ ক্ষমতা ৫০ ভাগের অধিক যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাদ্রাসা, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়) ও কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। রাত ৮টার পর জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। শপিংমলে ক্রেতা বা বিক্রেতা উভয়কেই যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং রাত ৮টার মধ্যে সকল দোকান, মার্কেট বা শপিংমল (জরুরি খাদ্যপণ্য, ঔষধের দোকান ব্যতিত) বন্ধ থাকবে। হোটেল-রেস্তোরাঁসমূহে ধারণ ক্ষমতার ৫০ ভাগের অধিক মানুষের প্রবেশ বারিত করা হলো। কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ এবং অবস্থানকালীন সর্বদা মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’

শেয়ার করুন

Leave a Reply