করোনা ঝুঁকি জেনেও চাঁদপুরের কোরবানির হাটে হাজারো মানুষের ঢল

শরীফুল ইসলাম :
কোরবানির এ ঈদকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরে ২২৫ স্থানে বসেছে কোরবানির পশুর হাট। কঠোর লকড়াউন সিতিল করার পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে শুরু হয় কোরবানির হাট। তবে অধিকাংশ পশুর হাটেই ছিলনা স্বাস্থ্যবিধি। ক্রেতা-বিক্রেতার মুনে নেই মাস্ক। এ চলছে বেচাকেনা। এতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়ছে। যদিও হাট কমিটির পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। কিন্তু সেই নিয়ন নীতি মানতে নারাজ অনেকেই।

চাঁদপুর সদর উপজেলার সফরমালী হাটে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার কোরবানির পশু নিয়ে আসা হয়েছে এই হাটে। প্রচন্ডে ভিড়ের মধ্যেও চলছে বেচাকেনা। তবে অধিকাংশ বিক্রেতার মুখে নেই মাস্ক। জেলা প্রশাসনের ভ্রম্যমান আদালত কিংবা পুলিশের কোন টহল টিমকে হাটে দেখা যায় নি।

মুখে মাস্ক না রাখার বিষয়ে সফরমালী হাটে মাসুম নামের এক বিক্রেতা বলেন, সারাদিন রোধের মধ্যে দাড়িয়ে থাকতে হয়। মাস্ক পকেটেই কিন্তু দম নিতে কষ্ট হয়, তাই পড়ি না। আপনারা বলেছেন, এখন থেকে মাস্ক পড়ে থাকবো। ইদ্রিস নামের আরেক বিক্রেতা বলেন, মাস্ক না পড়লেও আমাদের কিছু হবে না। আমরা সারাদিন কষ্ট করি, করোনায় আমাদের ধরবে না।

চাঁদপুর পৌরসভার ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান দর্জি বলেন, সফরমালী হাটে সোমবারই শেষ হাট, তাই এই হাটে এসেছি। প্রচুর গরু উঠেছে। দামও কিছুটা সহনশীল। তবে বেশিরভাগ মানুষ মাস্ক ছাড়া ঘুৃরাফেরা করছে।

এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শাহনাজ বলেন, সদরের প্রত্যেটি হাটে আমি নিজে গিয়ে সচেতন করে এসেছি। হাটে মাইকিং করেও সচেতন করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ যদি সচেতন না হয়, আমরা কিভাবে সচেতন করবো। এই অবস্থাতে সকলেরই বুঝা উচিত কিভাবে চলাফেরা করতে হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন