মেঘনা নদীতে বরযাত্রীবাহী লঞ্চ থামিয়ে ডাকাতি

বিশেষ প্রতিবেদক :
মেঘনা নদীতে বরযাত্রীবাহী লঞ্চ থামিয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা যাত্রীদের স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা নিয়ে যায়।

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার কালিপুর ও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নরে বড়কালিপুড়া গ্রাম সংলগ্ন দুই জেলার সীমান্তবর্তী এলাকার মেঘনা নদীতে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি তেতৈতোলা ঘাট থেকে একটি বরযাত্রী লঞ্চ একই উপজেলার বড় কালিপুরা গ্রামে যাওয়ার পথে কন্যার বাড়ি সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

বরযাত্রী লঞ্চে থাকা রোজিনা আক্তার বলেন, ৬০ থেকে ৭০ জন বরযাত্রী (নারী-পুরুষ) ছিল লঞ্চটিতে। ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাত দল স্পিডবোটযোগে আমাদের লঞ্চটিতে উঠে। ডাকাত দলের সবার হাতে পিস্তল, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র ছিল। আমার সাথে থাকা ১২ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ লঞ্চে থাকা সবার মোবাইল এবং নগদ টাকা হাতিয়ে নিয়ে যায় ডাকাত দল।

অপর বরযাত্রী পান্না মিয়া বলেন, বড়কালিপুরা গ্রাম সংলগ্ন মেঘনা নদীতে প্রত্যেক ডাকাতের হাতে রামদা, রাইফেল ও পিস্তলসহ বিভিন্ন অস্ত্র ছিল। লঞ্চের চালাককে আটক করে দুই ডাকাত। বাকিরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণ, ৩০ থেকে ৩৫টি মোবাইল ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে।

গজারিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আব্দুল হান্নান মিয়া বলেন, কালিপুরা মোড়ে মুন্সীগঞ্জ-চাঁদপুরের সীমান্ত এলাকায় এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। বেলতলির নিম্ন অঞ্চল থেকে একটি স্পিডবোটযোগে কয়েজন ডাকাত বরযাত্রীর লঞ্চে হানা দেয়। এ সময় চালককে লঞ্চ থামাতে বলে তারা।

লঞ্চ না থামানোর কারণে চালককে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। বরযাত্রীর কয়েকজনকে চড়-থাপ্পড় দেয়। তবে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ১০ থেকে ১৫টি মোবাইল ও কিছু স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায় তারা। ঘটনার পরপরই লঞ্চটি গন্তব্যে চলে যায়। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন