হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল : জনদুর্ভোগ চরমে

জহিরুল ইসলাম জয় :
হাজীগঞ্জ রামগঞ্জ দুই উপজেলার ব্যস্তময় সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন চলাচল। সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী সাধারণসহ স্থানীয়দের। সড়কটিতে গত এক বছর ধরে সড়ক ও জনপদ বিভাগের পক্ষ থেকে কোন সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করতে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাজীগঞ্জ পৌরসভার চৌরাস্তায়, জিয়ানগর, রনি বিক্সফিল্ডের সামনে, বেলচোঁ বাজার, সেন্দ্রা কামার বাড়ির সামনে, মনতলা বাজার ও সড়কের ফরিদগঞ্জ শেষ সীমানা ফকির বাজারে নব-নির্মিত ব্রিজের বাইপাশ রোড ঝঁকিপূণ্য।

এসব স্থানে সড়কের কার্পেট উঠে ছোট থেকে বড় আকারের গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষার শুরু থেকে অতি বৃষ্টির ফলে এসব স্থানে দিন দিন গর্তের আকার বড় হয়ে পানিবন্ধী অবস্থায় যানবাহন চলাচল করে আসছে। আর এতে করে প্রতিনিহিত ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।

বিশেষ করে মাইক্রো, সিএনজি, অটো রিক্সা ও মোটরসাইকেলের চাকা এসব গর্তে পড়ে আটকে যায়। অনেকেই নিয়ন্ত্র হারিয়ে সড়কের উপর পড়ে হাত, পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে যখমের মত একাধিক ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান।

সড়কে চলাচলরত ড্রাইভার ও একাধিক যাত্রী দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে বলেন, আমরা এ সড়কের বিশেষ করে ফকির বাজার ও মনতলা স্থানে আসলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। ফকির বাজারের নব-নির্মিত ব্রিজের ঠিকাদার কিংবা সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে সংস্কারের কোন উদ্যোগ দেখা যায়নি। আমরা এ দুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণ চাই।

স্থানীয় ফকির বাজারের জাহাঙ্গীর বেপারী, ইউসুফ, মনতলা বাজারের হাসেম পাটোওয়ারী, স¤্রাট পাটোওয়ারীসহ কয়েকজন জানায়, হাজীগঞ্জ ফরিদগঞ্জ ও রামগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী স্থানে সড়কটির বড় সমস্যা। এখানে সড়ক ও জনপদ বিভাগ ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কোন লোক গত প্রায় এক বছর ধরে সংস্কার করতে আসেনি।

সড়ক ও জনপদ বিভাগের হাজীগঞ্জ সার্কেলের প্রকৌশলী মো. আতাউর রহমান বলেন, ঠিকাদারকে বলা হবে যেন যেসব স্থানে সংস্কারের প্রয়োজন তা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করে। আমাদের জনবল সংকট, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মেরামত কাজ করা হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন