চাঁদপুরে শ্মশান থেকে ময়লা আবর্জনা অপসারণের দাবি

 

ঋষিকেশ :
হিন্দু সম্প্রদায়ের শেষ ঠিকানা হলো চাঁদপুর জেলার সার্বজনীয় ফরিদগঞ্জ পৌর মহাশ্মশানের ডাকাতিয়া নদী সংলগ্ন। শ্মশানের আশে পাশে দীর্ঘদিন থেকে বাজার এবং বাসা বাড়ির ময়লা আবর্জনাগুলো হিন্দুদের মহাশ্মশান এবং ডাকাতিয়া নদীতে ফেলে স্তূপ করে রাখে। শ্মশানে যখনই হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো লাশ সৎকার করার সময় দুরগন্ধে শ্মশানের ভিতর থাকা যায় না।

হিন্দু-বৌন্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন- যখনই নির্বাচন আসে প্রার্থীরেদর কাছে এই মহাশ্মশানের বিষয়টি তুলে ধরি। সবাইকে প্রতিশ্রুতি দেন জয়ী হয়ে আসলে আপনাদের শ্মশানের ময়লা আবর্জনা দূর করার ব্যবস্থা করবো।

শ্মশান কমিটির সভাপতি পরেশ দাস সাধারণ সম্পাদক দিলিপ কুমার দাস ও পূজা উদযাপন কমিটির আহবায়ক লিটন কুমার দাস, ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার মজুমদার ও হিন্দু নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন- আগামী এক মাসের মধ্যে যদি পৌর শ্মশান থেকে ময়লা আর্বজনা অপসারণ না করা হয়, তাহলে আমরা আগামীতে ভোট বর্জন করবো। অথবা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করবো বলে হুশিয়ারী দেন।

গত সপ্তাহ মন্দির কমিটির এবং মহাশ্মশানের সদস্য মৃত সুনীল দাস মরে গেছেন। বর্তমান মেয়রের কাছে তার একটাই দাবী ছিলো পৌর শ্মশান থেকে জরুরূী ভিত্তিতে ময়লা অপসারণ করা । কিন্তু দুঃখের বিষয় তিনি তা দেখে যেতে পারেননি। তার মৃত্যুর পরও যদি শ্মশান ময়লা মুক্ত হয় তাহলে তার আত্মা শান্তি পাবে

আসছে পৌর নির্বাচনে বর্তমান পৌর মেয়র যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল খায়ের পাটওয়ারীর কাছে হিন্দু সম্প্রদায়ের একটাই দাবী জরুরী ভিত্তিতে আমাদের এই মহাশ্মশানের আশ পাশ থেকে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ এবং পূর্বের ময়লাগুলো অপসারন করার জন্য দাবী জানান।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ পৌর সভার মেয়র আবুল খায়ের পাটওয়ারীকে এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে শ্মশানের বিষয়টি অবগত করলে তিনি বলেন, আমার জানা নেই। কারা সেখানে ময়লা ফেলে তোমরা আমাকে জানাবে আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো। আর যে ময়লাগুলো পূর্বে থেকে ছিলো তা অপসারনের জন্য আমি ব্যবস্থা নিবো।

শেয়ার করুন