চাঁদপুরের ২ কেন্দ্রে হঠাৎ অস্ত্রের মহড়া : ককটেল বিস্ফোরণ : আহত ১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :
চাঁদপুর সদর উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন চলাকালীন ৭নং তরপুরচন্ডী ইউনিয়নের দু’টি কেন্দ্রে হঠাৎ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে অস্ত্রের মহড়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৪ মেম্বার প্রার্থী সমথর্কদের অন্তত ১৫জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

তবে ঘটনার সাথে সাথে প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা থাকায় তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। যেখানেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির খবর পেয়েছেন সেখানেই তাৎক্ষণিক, র ্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও ম্যাজিস্ট্রেট ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছেন।

১১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে চাঁদপুর সদরের ৯টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। এর মধ্যে ৭নং তরপুরচন্ডী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড ও ৫ নং ওয়ার্ডে হঠাৎ করেই ভোট কেন্দ্রের শান্ত পরিবেশ অশান্ত হয়ে পড়ে। প্রথমে সকাল ৯টার দিকে তরপুরচন্ডী ৯নং ওয়ার্ডের আব্দুল আউয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ফুটবল প্রতীকের মেম্বার প্রার্থী মোস্তফা মাল ও তালা প্রতীকের মেম্বার প্রার্থী মোরশেদ আলম কবিরের কর্মী-সমর্থকদের মাঝে হট্টগোল সৃষ্টি হয়ে মহড়া শুরু হয়।

এ সময় ভোটরা দিকবিদিকে ছুটাছুটি করতে গিয়ে অনেক ভোটাররা কম-বেশি আহত হয়। তবে মেম্বার প্রার্থী মোস্তফা মালের কর্মীদের অভিযোগ তালা প্রতীকের মেম্বার প্রার্থী মোরশেদ আলম কবিরের কর্মীরা তাদেরকে মারধর করে ভোটারদের ভোট দিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন।

অপরদিকে বেলা সাড়ে ১১টায় একই ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডস্থ ৬৫নং তরপুরচন্ডী সরকারি (বাঁশিস্কুল) প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোড়ক প্রতীকের মেম্বার প্রার্থী মজিবুর রহমান গাজী লোকজন হঠাৎ করেই বিভিন্ন লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, ফুটবল প্রতীকের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মারুফুর রহমান সাইমুনের কর্মী-সমর্থকরা তাদেরকে উল্টো ধাওয়া করে।

এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরিত করে উল্লেখিত ২ মেম্বার প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের মাঝে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। উপস্থিত ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া কারীর উভয়পক্ষের অন্তত ১০জন কম-বেশি আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। একই সাথে ভাঙচুর করা হয়েছে বিভিন্ন দোকানপাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট র্যাব,পুলিশ-বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে এ সময় দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শুনে উপস্থিত ভোটাররা ভোট না দিয়েই কেন্দ্র ত্যাগ করেন। তবে সরেজমিনে দেখা গেছে ওই ইউনিয়নের যে সকল কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে, সেখানে তাৎক্ষণিক প্রশাসনের লোকজন ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।