চাঁদপুরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাদের মনোনয়নপত্র দাখিল : আছেন বিদ্রোহী প্রার্থীও

নিজস্ব প্রতিবেদক :
চাঁদপুরে দ্বিতীয় ধাপে আগামী ১১ নভেম্বর ইউপি নির্বাচনে চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রোববার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সদর উপজেলা এলজিইডি অফিস, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও উপজেলা নির্বাচন অফিসে চেয়াম্যান পদে ৫০জন, সাধারণ সদস্য পদে ৩৪৫জন ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ৭৯জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

দশটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয়ভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বিএনপি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলেও দলীয় নেতারা প্রার্থী হয়েছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মূল প্রার্থীর বাইরে বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থীও আছেন। তবেও বিদ্রোহী কেউ কেউ প্রার্থীতা করতে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে।

বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন থেকে মোট ৩৯জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৪জন। তারা হলেন : নৌকার প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন খান শামীম, হাতপাখার অজিউল্লাহ সরকার, স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউর রহমান ও খোরশেদ আলম। সাধারণ সদস্য ২৯জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৬জন।

আশিকাটি ইউনিয়ন থেকে মোট ৫৩জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৬জন। তারা হলেন : নৌকার প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারী, হাতপাখার মো. মাসুদ গাজী, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক চেয়ারম্যান দেলওয়ার হোসেন খান, স্বতন্ত্র প্রার্থী জাফর আহম্মেদ খান, নয়ন চন্দ্র দাস, সাইফুল ইসলাম। সাধারণ সদস্য ৪১জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৬জন।

শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন থেকে মোট ৫৪জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৬জন। তারা হলেন : নৌকার প্রার্থী মাসুদুর রহমান নান্টু, হাতপাখার মো. শাহ জামাল গাজী, বর্তমান চেয়ারম্যান স্বপন মাহমুদ, স্বতন্ত্র মো. আবুল হাসেম রুশদী, মো. ফারুক হোসেন বেপারী, মোঃ রফিকুল ইসলাম। সাধারণ সদস্য ৩৮জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ১০জন।

রামপুর ইউনিয়ন থেকে মোট ৪৬জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৫জন। তারা হলেন : নৌকার প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আল মামুন পাটওয়ারী, হাতপাখার আলতাফ হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বারাকাত মো. রেজওয়ান, মো. ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী, মো. দিদার হোসেন। সাধারণ সদস্য ৩৩জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৮জন।

মৈশাদী ইউনিয়ন থেকে মোট ৫১জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৪জন। তারা হলেন : নৌকার প্রার্থী মো. নুরুল ইসলাম, হাতপাখার আজহারুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর মো. সালেহ। সাধারণ সদস্য ৪০জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৭জন।

তরপুরচন্ডী ইউনিয়ন থেকে মোট ৪১জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩জন। তারা হলেন : নৌকার প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান ইমাম হাসান রাসেল গাজী, হাতপাখার মো. মারুফ সর্দার, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আলম খান। সাধারণ সদস্য ৩০জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৮জন।

বাগাদী ইউনিয়ন থেকে মোট ৫০জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৫জন। তারা হলেন : নৌকার প্রার্থী ও বতর্মান চেয়ারম্যান আলহাজ বেলায়েত হোসেন গাজী বিল্লাল, হাতপাখার প্রার্থী মো. নেয়ামত উল্লাহ, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. বরকত উল্ল্যাহ খান, মানিক মিয়া, জাকের পাটির্র মুনসুর বেপারী। সাধারণ সদস্য ৩৭জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৮জন।

বালিয়া ইউনিয়ন থেকে মোট ৪৮জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৭জন। তারা হলেন : নৌকার প্রার্থী রফিক উল্যাহ মাস্টার, হাতপাখার মো. নুরুদ্দিন খান, বর্তমান চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাফিজুর রহমান, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন তফাদার, মো. কামরুল হাসান খান, গাজী মো. মাসুদ রায়হান। সাধারণ সদস্য ৩০জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ১১জন।

চান্দ্রা ইউনিয়ন থেকে মোট ৫৪জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৫জন। তারা হলেন : নৌকার প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান খান জাহান আলী কালু পাটওয়ারী, হাতপাখার মাও. মো. মজিবুর রহমান মিয়াজী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মুকবুল, নাছির উদ্দিন গাজী, আব্দুর রহমান বেপারী। সাধারণ সদস্য ৪০জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৯জন।

হানারচর ইউনিয়ন থেকে মোট ৩৬জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৫জন। তারা হলেন : নৌকার প্রার্থী মো. মুকবুল হোসেন মিয়াজী, হাতপাখার মো. মনির হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নাছির মাঝি, মোজাম্মেল হোসেন গাজী, আব্দুস ছাত্তার রাঢ়ী। সাধারণ সদস্য ২৭জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৬জন।

দ্বিতীয় ধাপের চাঁদপুরের ১০টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২১ অক্টোবর, বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর, আপিল নিষ্পত্তি ২৪ ও ২৫ অক্টোবর, প্রার্থীতা প্রত্যাহার ২৬ অক্টোবর, প্রতীক বরাদ্দ ২৭ অক্টোবর এবং ভোটগ্রহণ ১১ নভেম্বর।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন