ছেংগারচর পৌরসভায় মায়া চৌধুরীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাবেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, আধুনিক মতলবের রুপকার মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী (মায়া) বীর বিক্রম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সাজেদুল হোসেন চৌধুরী (দিপু) ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক আশফাক হোসেন চৌধুরী মাহির উদ্যোগে মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভায় ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার উত্তর ঠাকুরচর জামে মসজিদে ছেংগারচর পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির খানের নেতৃত্বে ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের অংশগ্রহণে এই ইফতার মাহফিল মাহফিল ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। ইফতার ও দোয়ার মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন ছেংগারচর পৌরসভার উত্তর ঠাকুরচর জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব হাফেজ মোঃ শাহজাহান মিয়া।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছেংগারচর পৌর আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ চাঁন মিয়া বেপারী, ছেংগারচর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাবেক প্যানেল মেয়র মোঃ রুহুল আমিন মোল্লা, ছেংগারচর পৌর আ’লীগের ১নং ওয়ার্ড শাখার সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভুইয়া, দিদার মোল্লা, ছেংগারচর পৌর যুবলীগ নেতা মোঃ শামীম প্রধান, মোঃ মোসলেম দেওয়ান, মোঃ মিলন খান, মোঃ বাদল ঢালী, রেজাউল করিম ডেঙ্গু, মোঃ ফেরদাউস, আমান উল্লাহ, মোঃ রফিক, ছেংগারচর পৌর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম, গজরা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা সোহেল রানা, পৌর ছাত্রলীগ নেতা মোঃ মাইনু বকাউল,আরমান কাজী, পৌর শ্রমিকলীগ নেতা কবির সরকার, আক্তার মোল্লা, আবুল কালাম, আবুল কালাম মুফতি, মোহন মুফতি, সমাজসেবকদের মধ্যে মোঃ শাহজাহান খান, শহিদ উল্লাহ খান, সালামত উল্লাহ খান, মোঃ নান্নু মেলকার, জাহাঙ্গীর আলম মুফতিসহ ছেংগারচর পৌর আ’লীগের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ ও পৌর এলাকার বিভিন্ন সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

সাবেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (বীর) বিক্রম ভিডিও বার্তায় ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা জনসাধারণ ও নেতা-কর্মীদেরকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, সারা পৃথিবীতে করোনাভাইরাস এখন মানুষের মাঝে এক আতঙ্কের নাম। এ সময় লকডাউনের কারণে অনেকের আয়ের পথ বন্ধ। দরিদ্র অসহায় মানুষ এখন দিশেহারা। পরিবার-পরিজন নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন অনেকেই। তাই করোনার এ সময়ে নেতা-কর্মী ও সমাজের বিত্তবান শ্রেণিকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। তাদের বিভিন্নভাবে সহায়তা করতে হবে।

আধুনিক মতলবের রুপকার মায়া চৌধুরী আরও বলেন, বিগত সময়ে আপনারা মতলবের জনসাধারণ আমার এবং আমার পরিবারের পাশে ছিলেন। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করেছেন। এজন্য আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আগামী দিনেও আপনাদের সহযোগিতা ও ভালোবাসা পাব- এ বিশ্বাস ও আস্থা আমার রয়েছে।তিনি বলেন, প্রতি বছর রমজান মাসের শেষের দিকে আপনাদের সঙ্গে আমার দেখা হয়, কথা হয়। এবারও আপনাদের সঙ্গে মতবিনিময় করার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে আসতে পারলাম না। করোনার সংক্রমণ থেকে আপনারা সবাই সাবধান থাকবেন। সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন।

মায়া চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস সংকট বাংলাদেশেও প্রভাব বিস্তার করেছে। এ প্রেক্ষিতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও করোনার প্রভাব পুনরায় পড়তে শুরু করেছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি তাঁর মেধা, দক্ষতা, প্রজ্ঞায় করোনার বর্তমান ঢেউ অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে মোকাবেলা করার নানাবিধ পন্থা অবলম্বন করছেন। বিশ্বে মানবতার নেতা হিসেবে শেখ হাসিনা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি বলেন, করোনা প্রতিরোধক ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ ইতিমধ্যে সফলতার সাথে প্রয়োগ হয়েছে। তথাপি জননেত্রী শেখ হাসিনা করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের জন্য আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতা-কর্মীকে নির্দেশনা প্রদান করেছেন। সর্বশেষ তিনি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য, তার জন্য ও পরিবারের সব সদস্যের জন্য দোয়া কামনা করেন। সকলের শুভ কামনা ও ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়ে ভিডিও বার্তায় তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।