দেশের তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তৈরিতে উৎসাহিত করতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ “ক্লাস্টার ইন্টেলিজেন্সের জন্য এআই – কম্পিউটারকে আরও দ্রুত, সস্তা এবং নির্ভরযোগ্য করে তোলা” প্রতিপাদ্যকে ভিত্তি করে আয়োজন করেছে ‘এআই ইনোভেশন হ্যাকাথন ২০২৬’। শনিবার ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নলেজ টাওয়ারের স্টুডেন্ট লাউঞ্জে এ হ্যাকাথনের আয়োজন করা হয়। বাস্তব বিশ্বের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বুদ্ধিদীপ্ত সমাধান উদ্ভাবনে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার মাধ্যমে এই হ্যাকাথনটি উদ্ভাবনী শক্তিকে জাগিয়ে তোলা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (অও) বিষয়ক পরবর্তী প্রজন্মের উদ্ভাবকদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত হয়েছে। ‘ওয়ার্ল্ড এআই অ্যালায়েন্স’-এর অর্থায়নে এবং ‘সিএসই এআই সেন্টার’-এর নেতৃত্বে এই ইভেন্টটি পরিচালিত হয়। এতে সহায়তা প্রদান করছে ড্যাফোডিল এআই ক্লাব, সাইবার সিকিউরিটি ক্লাব এবং ডিআইইউ (উওট)-এর এআর/ভিআর (অজ/ঠজ) ও গেম ডেভেলপমেন্ট ল্যাব। প্রতিযোগিতার প্রথম ধাপে ১০৮টি দল অংশ নিয়েছিল এবং চূড়ান্ত পর্যায়ের ‘অন-সাইট’ হ্যাকাথনের জন্য ৬৫টি দলকে নির্বাচিত করা হয়েছে। মেন্টরশিপ, প্রকল্প উন্নয়ন, লাইভ প্রোটোটাইপিং এবং চূড়ান্ত উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে এই হ্যাকাথন এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ রূপায়ণে শিক্ষা, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয় ঘটেছে।
সমাপনী ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থি ছিলেন আইসিটি ডিভিশনের সচিব জনাব মামুনুর রশিদ ভূইয়া ও বিশেষ অতিথি এবং প্রধান বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড এআই অ্যালায়েন্সের প্রেসিডেন্ট ও স্কেলবিল্ড এআই-এর সিইও মি. উজ্জ্বল রায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মাসুম ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ ফখরে হোসেন, বিশ্ববিদ্যালযের রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ নাদির বিন আলী, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শেখ রাশেদ হায়দার নূরী, প্রোগ্রামের কো- চেয়ার ড. ফারনাজ নরিন নূর ও সহকারি অধ্যাপক মোঃ সাইফুল ইসলাম ও অমিত চক্রবর্তী।
এই হ্যাকাথনের মূল লক্ষ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের একত্রিত করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ব্যবহার করে বাস্তব সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান তৈরি করা। প্রতিযোগিতাটি একটি ৪৮ ঘণ্টার ইনটেনসিভ হ্যাকাথন, যেখানে নির্বাচিত দলগুলো তাদের এআই প্রজেক্ট তৈরি ও উপস্থাপন করে। এই হ্যাকাথনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জণ করে শ্যাডো ফরজ্ দল। দলের সদস্যরা হলেন, আবদুল্লাহ রুবাব, মোঃ তানভীর হাসান ও সৌরভ কুমার। প্রথম রানার আপ হয় হ্যালো পারপাল দল। দলের সদস্যরা হলেন মোঃ রেদোয়ান আহমেদ, স্রায়া প্রামানিক ও মুনীন্দ্রনাথ দুর্ঝয় সাহা। দ্বিতীয় রানার আপ হয় এক্সটোকেনেডধল। আর দলের সদস্য রা হলেন, কাজী ফেরদৌস জাহান ইয়ডারিন, মোঃ মাসরুর কবির ও কাজী সাজিদুল ইসলাম সবুজ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি