নির্বাচত হলে চাঁদপুর পৌরসভায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ আনবো : অ্যাড. জুয়েল

শরীফুল ইসলাম :
আসন্ন চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডে দিনব্যাপী গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করেছেন। সোমবার সকাল থেকে তিনি ২নং ওয়ার্ডের কবরস্থান রোড, বালুর মাঠ, পশ্চিম ও পূর্ব মাঝামাঝি বউ বাজার ভাওয়াল বাড়ি, ইউসুফ গাজী বাড়ি, পশ্চিম জাফরাবাদ বর্ধিত অংশের দর্জি বাড়ি, ঘোষপাড়া দুর্গা ও শীতলা মন্দির, হরিসভা মন্দির কমপ্লেক্সে উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন।

ইউসুফ মিজির সভাপতিত্বে ও উজ্জল তালুকদার ও নজরুল হাওলাদারের পরিচালনায় উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ মো. ইউসুফ গাজী। এ সময় তিনি বলেন, গান বাজনা কিছুই হয় না। হয় ঔষধ বিক্রি। ১৯৯৫ সালে যখন চাঁদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে তখন পৌর এলাকায় একটাই শব্দ উচ্চারণ হয়েছিল নিজের খেয়ে মোমবাতি।

এ বছরও একটাই শ্লোগান তুলুন অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েলে জন্য। আমি নির্বাচন করে পৌরসভায় ও উপজেলায় চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছি। এ বছর চাঁদপুর পৌরসভায় ৩জন মেয়র প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী জিল্লুর রহমান জুয়েল যোগ্য ব্যক্তি।

তাকেই আপনারা নির্বাচিত করবেন। আমি নির্বাচিত হওয়ার পর যেমনিভাবে আমার সাথে আপনারা কথা বলেছেন ঠিক তেমনিভাবে জিল্লুর রহমান জুয়েলের সাথে কথা বলতে পারবেন। সরকার হলো আওয়ামী লীগের। অন্যদলের কেউ মেয়র হলে পৌর নাগরিকরা সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। এই নৌকা কী দিয়েছে, স্বাধীনতা।

অনেকে বলে কেন্দ্রে না গেলে ভোট হয়ে যাবে। না এ বছর ভোট পদ্ধতি ভিন্ন। আঙ্গুলের ছাপ না দিলে মেশিন খুলবে না। তাহলে ভোট কেন্দ্রে আপনাদেরকে যেতে হবে। নৌকায় ভোট দিলে আপনাদের এলাকার উন্নয়ন হবে। আমার আমলে চাঁদপুর পুরাণবাজার নতুনবাজার সেতু হয়েছে। এখন সুফল ভোগ করে চাঁদপুরবাসী।

নতুন জামাই হিসেবে চাঁদপুর পৌরসভায় আমরা জুয়েলকে এ বছর পেয়েছি। আমরা আগের জামাই হয়ে পুরনো হয়ে গেছি। ১০ তারিখ ভোট কেন্দ্রে যাবেন। অন্যকে ভোট দিতে বাধ্য করবেন।

মেয়র প্রার্থী অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েল বলেন, আমি শেখ হাসিনার প্রার্থী। ইউসুফ গাজী ভাইয়ের আস্থাভাজন প্রার্থী। এই প্রথম দলীয় প্রতীকে চাঁদপুর পৌরসভায় নির্বাচন করছি। নৌকা হচ্ছে স্বাধীনতার প্রতীক। নৌকা উন্নয়নের প্রতীক। আমি আগে নির্বাচন করিনি। আমার সৌভাগ্য হয়নি। এই প্রথম নির্বাচন করছি। যে ওয়াদা রাখতে পারবো সেই ওয়াদাই করছি।

নৌকা হলো উন্নয়নের প্রতীক। নৌকায় ভোট দিলে কেউ ঠকে না। আমি ধাপে ধাপে আপনাদের সকল সুযোগ সুবিধা করে দেওয়ার চেষ্টা করবো। আমি নির্বাচত হতে পারলে চাঁদপুর পৌরসভায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ আনবো। আমি জনগণের মেয়র হয়ে আপনাদের জন্য কাজ করবো।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংঠগনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন পাটওয়ারী (এসডু), জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন মো. বাবর, পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাধা গোবিন্দ গোপ, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বাবুল। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন হাইমচর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান মিয়া, বাগাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন বিল্লাল, চান্দ্রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খান জাহান আলী কালুপাটওয়ারী সহ আরও অনেকে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply